শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৫

এডমিক্সার বা উপযোগ Admixture

এডমিক্সার বা উপযোগ। এটি কংক্রিট এর কাজের সাথে সম্পর্কিত একটি খুব গুরুত্বপুর্ন শব্দ। এডমিক্সার বা উপযোগ প্রাকৃতিব বা কৃত্তিম উপাদান যা কাচা বা শক্ত কংক্রিট এর অতিরিক্ত যোগ্যতা বা বৈশিষ্ট যোগ করে।

ঠান্ডা গরম প্রতিরোধক বায়ু-বলয় Air entrainment ব্যবহার করা হয় ঠান্ডা-গরম আবহাওয়া সহ্য ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য। বিশেষ করে যেই আবহাওয়াতে এটি হয় সেখানে বায়ু-বলয় উপযোগ ব্যবহার করা হয়।
এর ব্যবহারের ফলে কংক্রিট এর মধ্যে ছোট ছোট বাতাশের বল তৈরি হয়। বরফ ঠান্ডাতে কংক্রিট এর মধ্যে অবস্থিত পানি জমাট বেধে আয়তন বৃদ্ধি পায়। আয়তন বৃদ্ধি পাওয়াতে এই বরফ এর ভেতরে চাপ সৃষ্টি করে যা কংক্রিট এর জন্য ক্ষতিকর।

কিন্তু যদি এর ভেতরে ছোট ছোট বলয় থাকে তখন বাতাস এই চাপ নিয়ে কংক্রিট এর উপর থেকে চাপ কিছুটা কমিয়ে ফেলে।

কখনো কখনো এর বায়ু হাইড্রেশন এও সাহায্য করে। বরফ-গরন পক্রিয়া থেকে সুরক্ষার জন্য এই বায়ু বলয় সঠিক আকার, আয়তন এবং বিন্যস্ত হতে হবে।

ASTM C 260 এই এডমিক্চার এর প্রয়োজনীয়
গুনাগুন ঠিক করে দেয়।

এডমিক্চার এর সুবিধাগুলি নিচে দেয়া হলো:

অতি কুয়াশা বা ঠান্ডা থেকে কংক্রিট রক্ষা করে।

কার্য্যউপযোগিতা বাড়ায়।

টেকসই বা মজবুত পানি স্বল্পকরণ (ওয়াটার রিডিউসার) কংক্রিট এ এই এডমিক্চারটি খুব গুরুত্বপুর্ণ।

এটিকে কংক্রিট এর ৫ম উপাদান বলা হয়। এর ব্যবহার এর কারণে তিন ধরণের কাজ করা হয়।

১। স্ল্যাম্প বাড়ানো
২। পানি-সিমেন্ট এর অনুপাত কমানো
৩। সিমেন্ট এর পরিমান কমানো কম, মাঝারি এবং অধিক এই তিন প্রকারে পানি-স্বল্পকরণ এডমিক্চার ব্যবহার করা হয়।
তা নির্ভর করে কাজের পরিধী এবং কাজের প্রকারের উপর। আবার আবহাওয়ার উপরও এই পরিমান ।

যেমন, উচু স্থানে কংক্রিট তুলতে হলে
পাম্প এর সাহয্যে তুলতে হয়। তখন এর স্ল্যাম্প বাড়ানোর প্রয়োজন হয়। অথবা মেঝে বা ছাদের কাজের জন্যও স্ল্যাম্প
বাড়ানোর প্রয়োজন হয়। মোট কথা এই উপযোগ ব্যবহার এর কারণে কংক্রিট এর স্ল্যাম্প বাড়ে কিন্তু শক্তি কমেনা।

সাধারণ ওয়াটার রিডিউসার বা পানি- স্বল্পকরণ এডমিক্চার এটি ৫% পানি কমায়। এবং এর স্ল্যাম্প ১ থেকে ২ ইঞ্চি বাড়ায়।
মাঝারি পানি-স্বল্পকরণ এডমিক্চার এটি ৮% থেকে ১৫% পানি কমায়। ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি স্ল্যাম্প ব্যবহার করতে হলে এটি ব্যবহার করা হয়।

গরম আবহাওয়াতে এটি বেশি ব্যবহার করা
হয় যাতে করে গরম আবহাওয়াতে এর কংক্রিট কম সময়ে জমাট বাধতে না পারে কংক্রিট এর প্রাথমিক জমাট বাধা (সেটিং ) ধীরগতি করে দেয় কংক্রিট রাখা বা কাজের স্থানে ফেল সহজ করে উচ্চ পানি-স্বল্পকরণ এডমিক্চার (সুপারপ্লাস্টিসাইজার) এটি ১২% থেকে ৪০ পর্যন্ত পানি কমায়। ৮ থেকে ১১ ইঞ্চি স্ল্যাম্প ব্যবহার করার জন্য এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কংক্রিটঃ

যেই কংক্রিট এর উচ্চ ক্ষমতা প্রয়োজন এবং কম পানিগম্যতা দরকার সেখানে এই এডমিক্চার ব্যবহার করা হয়। এতে মাহক্রো বা ক্ষুদ্র সিলিকা থাকে। এই উপাদানের ব্যবহারের ফলে কংক্রিট এর যেই বৈশিষ্ঠ্য যোগ হয় তা হলো পারমিয়াবিলিটি বা পানিগম্যতা কমানো এর শক্তি বাড়ানো
টেকসই করা উচ্চ বল বহনকারি কলাম,বীম ইত্যাদি কাঠামোতে এটি ব্যবহার করা হয়। গাড়ি রাখার স্থানেও এটি ব্যবহার করা হয়।
ঘর্ষণ প্রতিরোধক কাঠামোতেও এটি ব্যবহার করা হয়।

এই উপযোগ এর ব্যবহার করে ২০,০০০
পি,এস,আই(PSI) পর্যন্ত কংক্রিট এর চাপ ক্ষমতা বাড়ানো যাই।

এটি পেষ্ট বা অর্ধতরল কিংবা শুকনা

পাউডার হিসাবে ব্যবহার করা যায়। প্রয়োজন অনুসারে অর্ধতরল বা শুকনা পাউডার ব্যবহার করা যায়। যেই প্রকারেই ব্যবহার করা যাক না কেন, গুনাগুন সমান হয়।

সেট এক্সিলারেটর (দ্রুত সেট হওয়া) এর ব্যবহার করা হলে সিমেন্ট এর হাইড্রেশন দ্রুত হয়। যার কারণে অল্পসময়ে কংক্রিট সেট হয় এবং অল্প সময়ে শক্তে অর্জন করে। বিশেষ করে ঠান্ডা তাপমাত্রাতে।

এক সময় ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড এই এডমিক্চার হিসাবে ব্যবহার করা হতো।

কিন্তু এটি দীর্ঘমেয়াদী কংক্রিট এর জন্য
ক্ষতিকর।

তাই বর্তমানে ক্যলসিয়াম ক্লোরাইড ব্যবহার করা হয় না। ইউরোপে কিছু কিছু ক্ষেত্র এর ব্যবহার সম্পুর্ন নিষিদ্ধ।

ক্লোরাইড মরিচা ধরতে সাহায্য করে এবং যার ফলে রি-ইনফোর্সমেন্ট হুমকির সম্মুখিন হয়। অনেক সময় কাঠামো ভেঙ্গ পড়ে, ক্র্যাক দেখা যায়।

তবে বর্তমানে ক্লোরাইড বিহীন সেট এক্সিলারেটর পাওয়া যায়। আগে ক্যালসিয়াম ক্লোরাই ব্যবহার করা হতো কারণ এর দাম অনেক কম।
কিন্তু দেখা যায় যে ২০ বছর পর এটি দুর্বল
হয়ে যায়। যেকোন ধরণের এডমিক্চার ব্যবহার এর পুর্ব এর গুনাগুন, ব্যবহার বিধি সতর্কভাবে খেয়াল করতে হবে।

সেট রিটার্ডার (ধিরে সেট হওয়া):
যখন সেটিং সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হয়
তখন এই এডমিক্চার ব্যবহার করা হয়। এটি করা হয় যাতে করে কংক্রিট বিছানো, ভাইব্রেশন বা কমপ্যক্শন সঠিক ভাবে করা যায়।

ব্যবহারঃ

অনেক দুরত্বঃ
কংক্রিট এর গাড়ি রাস্তায় অনেক সময় লাগে
বিছানোর জন্য দক্ষ শ্রমিকের অভাবযেই বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে:

-প্রকল্প স্থান

-মিশ্রনের আয়তন
-মিশ্রন বিছানোর দ্রততা
-বিছানোর নিযম
-ব্যবহার স্থান (বাহিরে বা ভেতরে)
-অন্য যেকোনো কারণে দেরি হলে
যদি মোটা কোন কিছু তৈরি করতে হয় তাহলে উপরের অংশ খুব আগে জমাট বেধে যায় এবং নিচের অংশ পরে।
যার কারণে ক্র্যাক দেখা যায়। এর থেকে
রক্ষা পেতেও এই এডমিক্চার ব্যবহার করা হয়।

কখন এর ব্যবহার না করলেও চলবে অল্প দুরত্বে ব্যবহার হলে ঠান্ডা আবহাওয়া এবং ভেতরে ব্যবহার করা হলে বেজমেন্ট দ্রত বিছানো গেলে।

ফ্লাই এ্যাশঃ
ফ্লাই এ্যাশ কয়লার পোড়ানোর কারণ তৈরি হয়। এর ব্যবহারের কারণে কংক্রিট
শক্তিশালি হয়, টেকসই হয় এবং সহজে এই
কংক্রিট দিয়ে কাজ করা যায়। ফ্লাই যোগ করার কারণে কংক্রিট এর মধ্যে পানি প্রবেশের ক্ষমতা কম হয়। অর্থাৎ ইমপারমিয়াবিলিটা বৈশিষ্ঠ্য যোগ হয়। কংক্রিট প্রধানত দুই ধরনের ফ্লাই এ্যাশ ব্যবহার করা হয়। ক্লাশ এফ এবং সি
ক্লাশ এফ ব্লিডিং এবং সেগ্রিগেশন কমায়। শৃঙ্কেজ এবং পারমিয়াবিলিটা কমায়।

হাইড্রেশনের তাপমাত্রা কমায় এবং ক্রিপ
কমায়।

ক্লাশ সি এটি প্রধানত প্রি-স্টেস কংক্রিট এ ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করা যেখানে অল্প সময়ে স্ট্রেন্থ প্রয়োজন সেখানে এটি ব্যবহার
করা হয়।

শীতল আবহাওয়ার জন্য এডমিকচার ২০o ফারেনহাইট তাপমাত্রা কমার কারণে সেটিং টাইম প্রায় দুই গুন হয়ে যায়। এ থেকে রক্ষার জন্য এক্সিলারেটর এবং ওয়াটার রিডিউসার এর সমন্বয়ে এই সমস্যা দুর করা যায় বা কমানো যায়।
গরম আবহাওয়ার জন্য এডমিকচার সাধারণত প্রতি ১০o ফারেনহাইট তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে স্লাম্প ১" কমে যায়। ৩০o ফারেনহাইট তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সেটিং টাইম প্রায় অর্ধেক হয়ে
যায়। পানির প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পায়।
ওয়াটার রিডিউসিং এবং রিটার্ডার এর ব্যবহার করে গরম আবহাওয়াতে কংক্রিট ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায়।

কন্সট্রাকশন কাজের আকার, আকৃতি এবং পূরুত্ব সম্পর্কে কিছু কথা


১.ইটের সাইজ:
ক.আদর্শ ইটের সাইজ(প্রচলিত)
মসল্লা বিহীন –(২৪.২ x ১১.৪ x ৭)cm

মসল্লা সহ -(২৫.৪ x ১২.৭ x ৭.৬)cm

খ.আদর্শ ইটের সাইজ (মেট্রিক):
মসল্লা বিহীন –(১৯x৯x৯)cm

মসল্লা সহ -(২০ ১০ x ১০)cm

২.ইমারতের উচ্চতা:
৩.০০m(১০ ফুট)
৩.৩০m(১১ ফুট)
৩.৬০m(১২ ফুট)
৩.৯০m(১৩ ফুট)
৪.২০m (১৪ ফুট)

৩.রাইজ X ট্রেড:
(১৫ সেমি x ৩০ সেমি),
(১৫ সেমি x ২৮ সেমি),
(১৫ সেমি x ২৫ সেমি),
(১৫ সেমি x ২৭.৫সেমি),
(১৭.৫ সেমি x ২৭.৫ সেমি)

৪.আর্দ্রতারোধী স্তর:
২ সেমি, ২.৫ সেমি, ৩ সেমি, ৪ সেমি.

৫.আর.সি.সি স্ল্যাব এর পুরুত্ব:
৭.৫ সেমি(৩ ইঞ্চি)
১০ সেমি(৪ ইঞ্চি)
১২.৫ সেমি(৫ ইঞ্চি)
১৫ সেমি(৬ ইঞ্চি)

৬.জলছাদের পুরুত্ব(৭:২:২):
৭.৫ সেমি(৩ ইঞ্চি)
১০ সেমি(৪ ইঞ্চি)
১২ সেমি(৪.৫ ইঞ্চি)

৭.ফাউন্ডেশন সিমেন্ট কংক্রিটের পুরুত্ব:
৭৫ সেমি, ৮ সেমি, ১০ সেমি, ১৫ সেমি,

৮.প্লাস্টারের পুরুত্ব ১৫ মিমি:
সিলিং এ প্লাস্টারের পুরুত্ব= ৬ মিমি.
ভিতরের দেয়ালে প্লাস্টারের পুরুত্ব= ১২ মিমি
বাইরের দেয়ালে প্লাস্টারের পুরুত্ব= ১৮-২০ মিমি ।

শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৫

প্রকৌশলীদের বহুল ব্যবহৃত কিছু পরিমাপ


১ বিঘা = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ = ১০০ শতাংশ
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ মাইল = ১৭৬০ গজ
১ ফুট = ১২ ইঞ্চি
১ হাত = ১৮ ইঞ্চি
১ গজ = ৩৬ ইঞ্চি= ৩ ফুট= ২ হাত
১ চেইন = ২২ গজ= ৬৬ ফুট
১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল= ১০০০ কেজি
১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার
১ গ্রাম = ১০০০ মিলিগ্রাম
১ লিটার = ১০০০ সিসি
১ মণ = ৪০ সের
১ সের = ১৬ ছটাক

বিভিন্ন কাজের আকার এবং আকৃতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ


১.ইটের সাইজ:
ক. আদর্শ ইটের সাইজ(প্রচলিত)
মসল্লা বিহীন –(২৪.২ x ১১.৪ x ৭)cm
মসল্লা সহ -(২৫.৪ x ১২.৭ x ৭.৬)cm
খ. আদর্শ ইটের সাইজ (মেট্রিক):
মসল্লা বিহীন –(১৯x৯x৯)cm
মসল্লা সহ -(২০ ১০ x ১০)cm

২.ইমারতের উচ্চতা:
৩.০০m(১০ ফুট)
৩.৩০m(১১ ফুট)
৩.৬০m(১২ ফুট)
৩.৯০m(১৩ ফুট)
৪.২০m (১৪ ফুট)

৩. সিঁড়ির রাইজার X ট্রেড:
(১৫ সেমি x ৩০ সেমি),
(১৫ সেমি x ২৮ সেমি),
(১৫ সেমি x ২৫ সেমি),
(১৫ সেমি x২৭.৫সেমি),
(১৭.৫ সেমি x ২৭.৫ সেমি)

৪.আর্দ্রতারোধী স্তর:
২ সেমি,২.৫ সেমি,৩ সেমি,৪ সেমি.

৫.আর.সি.সি স্ল্যাব এর পুরুত্ব:
৭.৫ সেমি(৩ ইঞ্চি)
১০ সেমি(৪ ইঞ্চি)
১২.৫ সেমি(৫ ইঞ্চি)
১৫ সেমি(৬ ইঞ্চি)

৬.জলছাদের পুরুত্ব(৭:২:২):
৭.৫ সেমি(৩ ইঞ্চি)
১০ সেমি(৪ ইঞ্চি)
১২ সেমি(৪.৫ ইঞ্চি)

৭.ফাউন্ডেশন সিমেন্ট কংক্রিটের পুরুত্ব:
৭৫ সেমি, ৮ সেমি, ১০ সেমি, ১৫সেমি,

৮.প্লাস্টারের পুরুত্ব ১৫ মিমি:
সিলিং এ প্লাস্টারের পুরুত্ব= ৬মিমি.
ভিতরের দেয়ালে প্লাস্টারের পুরুত্ব= ১২ মিমি
বাইরের দেয়ালে প্লাস্টারের পুরুত্ব= ১৮-২০ মিমি

Unit weight of different materials used in construction work

1.Plain concrete 2300 kg/m3
2.Reinforced concrete 2400 kg/m3
3.Lime concrete 1920 kg/m3
4.Cement concrete 2240 kg/m3
5.Cement 1440 kg/m3
6.Brick 1110 kg/m3
7.Brick ballast 1200 kg/m3
8.Stone ballast 1600 kg/m3
7.Brick Masonry 1920 kg/m3
8.Water 1000 kg/m3
9.Ms Rods 7850 kg/m3
10.Dry sand 1600 kg/m3
11.Surki 1250 kg/m3
12.Bitumen 1040 kg/m3

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কিছু সংক্ষিপ্ত নামের পূর্ণ নাম (পর্ব ১)

>CC-Cement concrete.
> AC-Asbests cement.
>CS-Comparative statement.
>PERT-Programme Evaluation and Review Technique.
>CPM-Critical path method .
>USD-Ultimate strength design.
>W.S.D-Working stress design.
>BNBC-Bangladesh national building code.
>PL-Plinth level.
>GL-Ground level.
>EGL-Existing ground level.
>OGL-Original ground level .
>FGL-Formation ground level.
>HFL-Highest flood level.
>RL- Reduced level.
>A.C.I-American concrete institute.
>A.A.S.H.O- American Association of state highway official.
>A.R.E.A-American Railway engineering association.
>A.S.T.M-American society for testing materials .
>B.S.I-Bangladesh standard institute.
>B.S.T.I-Bangladesh standard testing institute.
>ISI-Indian standard institute.
>W.C-Water closet.
>B.M-Bending moment.
>L.L-Live load.
>D.L-Dead load.
>E.L-Environmental load.
>U.S.C-Ultimate stress of concrete.
>A.S.C-Allowable Stress of concrete.
>F.M-Findness modulas.
>B.M-Bench mark .
>PVC- Poly vinyl choloride .
>UPVC- Unplasticized Poly vinyl choloride.
>PPR - Poly Propylene Random

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কিছু সংক্ষিপ্ত নামের পূর্ণ নাম ( পর্ব ২)

>SWG- Standard wire gauge.
>MB-Measurement book.
>GP-Ground plane.
>VP-Vertical plane.
>HP-Horizontal plane.
>DPC- Damp proof course.
>RCC- Reinforced cement concrete.
>R.B.W- Reinforced brick work.
>C.I.Sheet-Corrugated Iron sheet.
>C.I.Pipe -Cast iron pipe.

এস্টিমেট সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি (পর্ব ১)

1. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন= ৪১০ টি।
2. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে প্রচলিত ইটের প্রয়োজন=১১.৭৬=১২ টি।
3. এক ঘনমিটার ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ৫০০ টি।
4. এক ঘনফুট ইটের গাঁথুনীর কাজে মেট্রিক ইটের প্রয়োজন= ১৪.২৮ টি।
5. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের ফ্লাট সোলিং এর জন্য ইটের প্রয়োজন=৩১টি।
6. এক বর্গমিটার সোলিং এ চিকন বালির প্রয়োজন=০.০১৫ ঘনমিটার।
7. এক বর্গমিটার জায়গায় একস্তর ইটের হেরিং বোন বন্ডের জন্য ইটের প্রয়োজন=৫২টি।
8. এক বর্গমিটার হেরিং বোন বন্ডের জন্য চিকন বালির প্রয়োজন=০.০৩ ঘনমিটার।
9. ইটের গাঁথুনীর কাজে শুকনা মসল্লা এর পরিমাণ=৩৫%।
10. এক ঘনমিটার সিমেন্ট=৩০ ব্যাগ।
11. এক বর্গমিটার নীট সিমেন্ট ফিনিশিং এর জন্য(NCF) সিমেন্টের প্রয়োজন=২.৭-৩ কেজি।
12. ডিপিসি এ পাডলোর পরিমাণ সিমেন্টের ওজনের ৫% অর্থাৎ প্রতি ব্যাগ সিমেন্টের জন্য ২.৫ কেজি।
13. এক ঘনমিটার এম,এস রডের ওজন =৭৮৫০ কেজি বা ৭৮.৫০ কুইন্টাল।
14. এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন=৫০ কেজি এবং আয়তন=০.০৩৪৭ ঘনমিটার।
15. এক ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন=৪০ কেজি।

এস.পি.টি (S.P.T= Standard Penetration Test) ভেলু থেকে মাটির ভারবহন বা বিয়ারিং ক্যাপাসিটি বের করা

এস.পি.টি বা স্ট্যান্ডার্ড পেনিট্রেশন টেষ্ট থেকে মাটির বিয়ারিং ক্যাপাসিটি নির্ণয় করা যায়। এর জন্য দুইজনের
১) Meryerhof’s সুত্র:
ফুটিং এর চওড়া চার ফুট বা এর চেয়ে কম হলে
Qa = (N/4) *K
ফুটিং এর চওড়া চার ফুটের বেশি হলে
Qa = (N/6)[(B+1)/B]2*K
ফর্মুলা আছে

২)Bowles’ সুত্র:
চওড়া চার ফুটের কম হলে
Qa = (N/2.5) * K
ফুটিং এর চওড়া চার ফুটের বেশি হলে
Qa = (N/4)[(B+1)/B]2* K
Qa: এলাওয়াবল বিয়ারিং ক্যাপাসিটি (কিলো পাউন্ড / স্কয়ারফুট )[ kips/ft2]
N: ফুটিং এর তলার এস.পি.টি সংখ্যা
B: ফুটিং এর চওড়া (ফুট হিসাবে)
K = 1 + 0.33(D/B) ≤1.33
D: মাটির উপরিভাগ থেকে ফুটিং এর তলার দুরত্ব বা গভীরতা (ফুট হিসাবে)

উদাহরণ-০১: এস.পি.টি নম্বর ১০, ফুটিং এর চওড়া তিন ফুট এবং ফুটিং এর তলা মাটির উপরিভাগ থেকে দুই ফুট নিচে আছে। তাহলে বিয়ারিং কত ?

উত্তর:
Meryerhof's অনুসারে,
K = 1+0.33(D/B) = 1+0.33*(2/3) = 1.22
Qa = (N/4) * K = (10 /4) *1.22 = 3.05 kips/ft2
Bowles’ অনুসারে:
Qa = (N/2.5) * K = (10 /2.5) *1.22 = 4.88 kips/ft2
এখান থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে কমটা নেয়াই ভাল, সুতরাং ক্যাপাসিটি 3.05 kips/ft2

উদাহরণ-০২: এস.পি.টি নম্বর ২০, ফুটিং এর চওড়া আট ফুট এবং ফুটিং এর তলা মাটির উপরিভাগ থেকে চার ফুট নিচে আছে। তাহলে বিয়ারিং কত ?

উত্তর :
Meryerhof's অনুসারে
K = 1+0.33(D/B) = 1+0.33*(4/8) = 1.17
Qa = (N/6)[(B+1)/B]^2 * K = (20/6)[(8+1)/8]^2 *1.17 = 4.94 kips/ft2
Bowles’ অনুসারে:
Qa = (N/4)[(B+1)/B]^2 * K = (20/4)[(8+1)/8]^2 *1.17 = 7.40 kips/ft
এখান থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে কমটা নেয়াই ভাল, সুতরাং ক্যাপাসিটি 4.94 kips/ft2

যেভাবে ধরে রাখবেন বৃষ্টির পানি


বৃষ্টির পানি ধরে রাখার দুই ধরনের উপায় আছে:

১) ভূ-পৃষ্ঠের পানি ধরা

২) ছাদের পানি ধরা

নিচে বিভিন্ন ধরনের উপায় বর্ণনা করা হল

১। ভূ-পৃষ্ঠের পানিঃ

গ্রাম এলাকাতে বৃষ্টির পানি ভূ-পৃষ্ঠা দিয়ে প্রবাহিত হয়। সঠিক উপায়ে এই পানি ধরে রাখা যায় এবং পরে তা ব্যাবহার করা যায়।

২। ছাদের পানিঃ

এই পদ্ধতিয়ে ছাদ ধারক হিসাবে কাজ করে। এই পদ্ধতিতে ছাদ বৃষ্টির পানি ধরে এবং পরে তা জলধরে জমা রাখা হয়। এই পদ্ধতিতে তুলনামুলিক খরচ কম। এই পদ্ধতি ঠিক মত কার্যকর করা গেলে মাটির পানির লেভেল বৃদ্ধি পায়।

২.১ ছাদের পানি ধারণ পদ্ধতির বিভিন্ন অংশঃ

নিচে সাধারণতো যেই জিনিস গুলি থাকে তার একটি নমুনা নিচে দেয় হল।

Rainwater harvesting

ছবি ১: পানি ধারণের বিভিন্ন অংশ

এই পদ্ধতির কিছু বিশেষ অংশ নিচে দেওয়া হল।

ধারক
বাহক
প্রথম দরজা
ছাকনি

ধারকঃ

যেখানে বৃষ্টি সরাসরি পড়ে। এটা ঢালু বা সমতল চাদ হতে পারে। হতে পারে টিনের বা আর সি সি এর। এটি বৃষ্টির পানিকে প্রথমে ধরে।

বাহকঃ

ধারক পানি ধরার পর কোনও কিছুর মাধ্যমে এই পানিকে স্থানান্তরিত করবে। যার মাধ্যমে স্থানান্তর হয় বা যে স্থানান্তর করে তাকে বাহক বলে।

প্রথম দরজাঃ

এটি প্রাথমিক বৃষ্টির পানিকে ধুয়ে ফেলে দেয়। যাতে করে দূষিত কোনকিছু বা ময়লা কোনও কিছু এর সাথে না থাকে।

ছাকনিঃ

পানি যখন ছাদে জমা হয় তখন এর সাথে দুহসিত পদার্থ মিশে যেতে পারে। থাই ছাকনি ব্যাবহার করা হয় ঐ দূষিত পদার্থ দূর করার জন্য।

ময়লা, আবর্জনা, গাছের পাতা ইত্যাদি পরিষ্কার করার জন্য ছাকনি ব্যাবহার করা হয়। ইট-পাথর বা বলি পরিস্কার করে নিতে হবে ছাকনিতে দেয়ার আগে।

ছবি ২: ছাকনি

বিভিন্ন ধরনের ছাকনি পাওয়া যায়। তবে সব ছাকনি-ই একই কাজ করে থাকে

১) বলি-পাথর এর ছাকনিঃ

এইটি সবচেয়ে বেশি ব্যাবহার করা হয়। ইট দিয়ে কুপের মত তৈরি করে এর মধ্যে নুড়ি-পাথর ও বলি দিয়ে ভরাট করা হয়। প্রতি তলতে তর্জলি দেয় হয়।

ছবি ৩: বালি পাথরের ছাকনি

কাঠ-কয়লার ছাকনিঃ

এটি বালি-পাথরের ছাকনির মত কিন্তু একটি বেশি উপাদান কাঠ-কোয়েল ব্যবহার করা হয়।

ছবি-৪: কাঠ-কয়লার ছাকনি

পি বি সি পাইপ ছাকনিঃ

১ থেকে ১.২ মিটার পি ভি সি পাইপ দিয়ে এই ছাকনি তৈরি করা যায়। পাইপ এর সাইজ (ব্যাস) ছাদের আয়তনের উপর নির্ভর করে। 1500 বর্গ মিটার এর জন্য 6 ইঞ্চি বয়সের পাইপ যথেষ্ঠ। এরি বেশি হলে 8 ইঞ্চি পাইপ ব্যাবহার করা উচিত। পাইপ তারজালি দিয়ে তিনটি প্রকষ্ঠে ভাগ করা হয়। প্রকষ্ঠের মধ্যে পাথর ও বলি দিয়ে ভরাট করতে হবে। কয়লাও ব্যাবহার করা যেতে পারে। পাইপ এর দুই মাথার ব্যাস কমিয়ে আনতে হবে। এই চকিন আনুভূমিক বা খাড়া ভাবে বসানো যায়।

ছবি ৫: পি বি সি পাইপ ছাকনি

স্পঞ্জ ছাকনিঃ

এটি খুব সহজ এবং বাস বাড়িতে ব্যাবহার করা যায়। ড্রাম এর মধ্যে স্পঞ্জ বিভিন্ন তালাতে দেয়ে হয়। এটি খুব সস্তা এবং সহজে তৈরি করা যায়।

ছবি 6: স্পঞ্জ ছাকনি

2.2 ছাদের পানি ধরার পদ্ধতি সমূহঃ

বিভিন্ন ভাবে এটি করা যায়। নিচে কিছু উদাহরণ দেয়া হলো।

১) সরাসরি ব্যাবহার এর জন্য পানি ধরাঃ

এই পদ্ধতিতে পানি ছাদের থেকে ট্যাংক এ দেয়া হয়। ট্যাংক এর সাইজ বৃষ্টি,ছাদ ও চাহিদার উপর নির্ভর করে। ট্যাংক এর অবশ্যই অতিরিক্ত পানি বের হওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে।

পাটাতনের উপর সংগ্রাহকঃ

ক) কূপ ভর্তি করে

খ) মাটি গর্ত পানি ভরাট করে

গ) শ্যাফ্ট করে

ঘ)কুয়ার মাধ্যমে

ঙ) ট্রেনচ করে

ফর্মওয়ার্ক বা সাটারিং (formwork)


এলাইনমেন্ট ঠিক মত করা হয়েছে কিনা এবং
পরিস্কার আছে কিনা দেখতে হবে।
স্টিলের হলে এর তলে তেল দেয়া
আছে কিনা দেখতে হবে,
কাঠের হলে এর ভেতরের দিকের তল
সমান বা স্মুথ আছে কিনা দেখতে হবে
খেয়াল রাখতে হবে যেন পানি বের হতে না পারে।

সাটারিং এর সাপোর্ট ঠিক মত
দেয়া আছে কিনা যাতে করে
কাজের সময় নড়ে না যায় বা ভেঙে
না যায় কাঠের সাটার হলে জয়েন্টে
পাতলা টিনের ফিতা দিয়ে বন্ধ
করে দিতে হবে। সম্ভবত এই পাতলা
টিনের ফিতাকে লোকাল ভাষায় ময়ুরী বলে
স্টিলের শাটারের জয়েন্টের মাঝে ফোম বা জুট টেপ দিতে হবে।

ডিজাইন অফ অবারহেড ট্যাংক Overhead Tank


ব্যক্তি প্রতি দিন = ১৫০ লিটার প্রতি পানি প্রয়োজন।
পানযোগ্য পানি দিন প্রতি ব্যক্তির প্রয়োজন= ৪ লিটার।
একক পারিবের জন্য পানির হিসাব
পরিবাবের গড় সদস্য সংখ্যা ৫ জন
প্রতিদিন পানি প্রয়োজন হবে নিম্নরুপ
১৫০ X ৫ = ৭৫০ লিটার

পান করার পানি প্রয়োজন:
৪ X ৫ = ২০ লিটার
মোট পানি প্রয়োজন = ৭৫০+২০= ৭৭০ লিটার
পানির আয়তন = ৭০০/১০০০ = ০.৭৭ কিউবিক মিটার

ট্যাংকের সাইজ নির্ধারণঃ
ধরি-------------
দৈর্ঘ্য = ১.২ মিটার
প্রস্থ = ০.৬ মিটার

ক্ষেত্রফল = ১.২ X ০.৬= ০.৭২ বর্গমিটার
গভীরতা = ০.৭৭ X ০.৭২= ১.০৭ মিটার

উপরের ফাকা অংশ ০.১ মিটার

মোট গভীরতা হবে ১.০৭+০.১=১.১৭ মিটার

পরিপুর্ণ সাইজ= ১.২ মিটার X ০.৬ মিটার X ১.১৭ মিটার।

প্লাম্বিং এবং সেনেটারি

বাথরূম ফিকচারঃ

ফিকচার হিসাবে এমন কিছু ব্যাবহার করতে হবে যা সহজে পরিস্কার করা যায় এবং ব্যাবহার উপযোগী রাখা যায়। এর দাম সাইজ, রঙ, আকৃতি, কী দ্য তৈরি ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। সাধারনত সাদা এর চেয়ে রঙিন এর দাম বেশি হয়ে থাকে। আবার বড় হলে তার দাম বেশি হয়। আবার বড় ফিকচার দাম বেশি হওয়ার সাথে সাথে জয়গও বেশি দখল বেশি করে এবং পানির অপচয় বেশি হয়। যার কারণে ফিকচার পছন্দ করার সময় এইগুলি বিবেচনার মধ্যে রাখতে হবে।

নিচে কিছু সাধারণ মাপ-যোগ নিয়ে আলোচনা করা হল।
গোসল পাত্রঃ
বাথ টাব বা গোসল করার পাত্র তিন ধরনের হয়ে থাকে। বিল্ট-ইন,ফায়ার উপর  এবং বেইজ বা পাতটন এর উপর। সকল ক্ষেত্রেই এর আকার ৪ থেকে ৬ ফুট লম্বাটে এবং ২৬ থেকে ৩৬ ইঞ্চি পাশে হয়ে থাকে। সাধারনত উচ্চতা 16 থেকে 22 ইঞ্চি হয়ে থাকে। তবে ৪ ফুটের বর্গকার বাথটাবো পাওয়া যায়।

বিল্ট-ইন টাব বাথরূম এর কোনাতে ব্যাবহার করা হয়। এটি কম যায়গা দখল করে। এর রক্ষণ বেক্ষণ সহজ। তবে যেখানে আদ্রতা কম সেইখানকার দেওয়াল এর সাথে এটি করা হয়।

পায়ার উপর বসানো টব এর খরচ তুলনামূলক কম। কিন্তু দেখতে খুব ভাল লাগে না এবং পায়া থাকার কারণে এতে উঠা-নাম কঠিন/বিরক্তকর । সাধারনত এর পাইপগুলি দেখা যায়।

বেইজ এর উপর টব পায়ার মতই তবে এতে কোনও পায়া থাকেন, এর বদলে পাটাটন থাকে। যার করনে এর তলের ফ্লোর দেখা যায়না।

শাওয়ার বা ঝর্ণাঃ

ঝর্ণার খরচ টাব এর চেয়ে অনেক কম। কম যায়গা দখল করে এবং পানির খরচ কম।

শাওয়ার এর মাথা বা মুখ ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি তে থাকে।

স্টল শাওয়ার ৩২ ইঞ্চি থেকে 42 ইঞ্চি বর্গকার ঘর এবং উচ্চতা ৬ থেকে ৭ ফুট হয়ে থাকে। একে অনেক সময় জাকুজি বলা হয়ে থাকে।

শাওয়ার হেডঃ

শাওয়ার হেড একটু বাকা থাকতে হবে যাতে করে সরাসরি মাথার উপর পানি না পড়ে পাস দিয়ে পড়বে। তিন ধরণে শাওয়ার হেড পাওয়া যায়।

রেইন হেড
সার্কুলার স্প্রে
এচনমী হেড
লাভাটরী

বড় আকারের বেসিনকে বলা হয় লাভাটরী, তিন ধরণে লাভাতরী হয়ে থাকে।

ওয়াল সংলগ্ন
পেড়েস্তল বা পায়
ক্যাবিনেট
এদের কমন উচ্চতা ৩১ ইঞ্চ তবে বড় পরিবার এর জন্য ৩৪ ইঞ্চি হলে ভাল হয়।

ওয়াটার ক্লোসেট বা কমডঃ
আমাদের দেশে প্যান এবং কমড উবয়কে কমড বলা হয়। প্যান বলা হয় লো-কমড এবং কমড় বলা হয় হাই কমড। এদের বসানোর পূর্বে অবশই প্রস্তুতকারীর নির্দেশনা দেখতে হবে। কেননা এর উপর নির্ভর করে ছাদের ছিদ্র করতে হবে। পানির লাইন করতে হবে।

টাওয়েল রড গামছা বা তোয়ালে রাখার জন্য ব্যাবহার করা হয়। ২১ ইঞ্চির নিচে ব্যাবহার করা যাবে না। উচ্চতা  ৪ থেকে ৫ ফুট।
সাবানদানী বা কেইস বেসিন এর কাছে রাখতে হবে এবং উচ্চতা বেসিন এর সমান বা এর থেকে ১ ফুট পর্যন্ত বেশি হতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৫

ভাল সাটারিং এর প্রয়োজনীয় গুনাগুন


১) এর যথেষ্ট পরিমান ডেডলোড
এবং লাইভ লোড বহন করার ক্ষমতা থাকতে হবে।
২) এটা পর্যাপ্ত দৃঢ় হবে,যাতে
ডিফ্লেকশন জনিত কারণে
কাঠামোর প্রকৃত আকৃতির কোন পরিবর্তন না ঘটে ।
৩) ফর্ম ওয়ার্কের ব্যবহৃত মালামাল
সহজলভ্য এবং সুলভ মুল্যের হতে হবে।
৪) শক্ত ভিত্তোর উপর ফর্মওয়ার্ক স্থাপন করতে হবে।
৫) পুন:ব্যবহার গুন থাকতে হবে। অর্থাৎ
একাধিকবার খুলে কাজে লাগানোর উপযোগি হতে হবে।
৬) সাটারিং খোলার সময়
কংক্রিট এর কোন প্রকার ক্ষতি হতে পারবে না।
৭) ফর্ম ওয়ার্কের জয়েন্ট যথেষ্ট মজবুত
এবং দৃঢ় হবে যাতে করে সিমেন্ট গ্রাউট লিকেজ না করে ।
৮) আনুভুমিক এবং উলম্ব উভয় দিকেই
যথেষ্ট পরিমান সাপোর্ট বা বাধন দিতে হবে।
৯) যত পাতলা হবে ততই ভাল। বেশি
ভারি হলে বহন করা, সাটার নিয়ে
কাজ করা সমস্যা হবে এবং কাজের গতি কমে যাবে।
১০) এটা পানিরোধী হবে,যাতে
কংক্রিট হতে পানি শোষণ করতে না পারে ।
১১) এটা সহজে নির্মাণ এবং খুলে ফেলা যাবে।

ভিত্তিতে ও মেঝেতে কংক্রিটের কাজের হিসাব

বিল্ডিং বা কাঠামোর ভর
সমভাবে মাটিতে ছড়িয়ে দেওয়ার
জন্য এবং ভিত্তিকে মজবুত করার জন্য
লাইম কংক্রিট বা সিমেন্ট কংক্রিট
এর কাজ করা হয়।কংক্রিটের দৈর্ঘ্য ও
প্রস্থ,মাটি কাটার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের
সমান হয়ে থাকে।কেবল মাত্র উচ্চতা
নকশায় প্রদত্ত উচ্চতার সমান হয়।
ভিত্তিতে কংক্রিটের পুরুত্ব,
ইমারতের আকার ও মাটির ভারবহন
ক্ষমতা এবং দালানের ধরণের উপড়
নির্ভরশীল। তবে ভিত্তিতে
কংক্রিটের পুরুত্ব ১৫ সেমি এর কম
হওয়া উচিত নয়। সিমেন্ট কংক্রিটের
উপাদান ১:৩:৬: অথবা ১:৪:৮ হয়ে থাকে।

ভিত্তিতে নিম্নলিখিত হারে পুরু
কংক্রিটের স্তর প্রদান করা উচিত:
১. ৩ মিটার পর্যন্ত উচ্চ ইমারতে = ১৫ সেমি.
২. ৩-৪.৫০ মিটার পর্যন্ত উচ্চ ইমারতে =২০ সেমি.
৩. ৪.৫০-৬ মিটার পর্যন্ত উচ্চ ইমারতে=২৫ সেমি.
৪. ৬ মিটারের অধিক উচ্চ ইমারতে= ৩০ সেমি.

মেঝেতে কংক্রিট কাজের হিসাব:
সাধারণত প্রথম তলার মেঝেতে
কংক্রিটের কাজের উপড় ফ্লোর
ফিনিশিং যেমন-কৃত্রিম পাথর
মার্বেল বা মোজাইক হয়ে থাকে।
কংক্রিট অংশ ঘনমিটারে এবং
ফ্লোর ফিনিশিং এর অংশ
বর্গমিটারে পৃথক দফায় হিসাব করা হয়।

নিম্নলিখিতভাবে কংক্রিট কাজের পরিমাণ হিসাব করা হয়ঃ
১.অফসেট যুক্ত প্লিন্থ দেওয়াল: প্লিন্থ
দেওয়ালের অফসেট এর মধ্যবর্তী
অংশের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের হিসাব
করে উচ্চতা দিয়ে গুণ করা হয়।
২.অফসেট বিহীন প্লিন্থ দেওয়াল:
প্লিন্থ দেওয়ালের মধ্যবর্তী অংশের
দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের হিসাব করে উচ্চতা
দিয়ে গুণ করা হয়।

ড্রইং রুমের মেঝেতে কংক্রিট কাজের হিসাবঃ ড্রইং রুমের আকার =৫০০x৩৫০ সেমি.
কংক্রিটের পুরুত্ব =৭.৫ সেমি.
কংক্রিট কাজের পরিমাণ = দৈর্ঘ্য xপ্রস্থ x কংক্রিটের পুরুত্ব=৫x৩.৫০x০.০৭৫=১.৩১ ঘনমিটার

সিমেন্ট কংক্রিট এর কাজে বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রীর হিসাব:
মনে করি,
কাজের পরিমাণ = ১০০ ঘনমিটার
কংক্রিটের অনুপাত = ১:৩:৬
[১=সিমেন্ট,৩=বালি,৬=খোয়া]
অনুপাতের যোগফল =১+৩+৬=১০
এখন,১০০ ঘনমিটার কংক্রিটের জন্য
শুকনা মসলার আয়তন = ভিজা আয়তনের
আনুমানিক ১.৫ বা ১.৫৪ গুণ অনুমোদনীয়।
অতএব,
শুকনা আয়তন= ১০০ x ১.৫৪ = ১৫৪ ঘনমিটার
প্রয়োজনীয় সিমেন্ট=১৫৪/১০ X ১ = ১৫.৪ ঘনমিটার
=১৫.৪ x ৩০ = ৪৬২ ব্যাগ [ ১ ঘনমিটার সিমেন্ট = ৩০ ব্যাগ]
প্রয়োজনীয় বালি =১৫৪/১০ x ৩ = ৪৬.২ ঘনমিটার
প্রয়োজনীয় খোয়া =১৫৪/১০ x ৬ = ৯২.৪ ঘনমিটার
= ৯২.৪ x ৩২০ [প্রতি ঘনমিটার খোয়া =
৩২০ টি ইট]
=২৯৫৬৮ টি ইট

[বি:দ্র:-শুকনা মসলার আয়তন, ভিজা
আয়তনের আনুমানিক ১.৫ গুন ধরে
উপাদানসমুহের পরিমাণ নির্ণয় করলে
ভুল হবে না]

123123